Ecology

সমস্যার নামকরণ করেছিল যে সম্মেলন: সান্তা মার্তা এবং জীবাশ্ম জ্বালানির সমাপ্তির সূচনা”

সান্তা মার্তা সম্মেলনটি জাতিসংঘের COP প্রক্রিয়ার বাইরে প্রথম বড় বহুপাক্ষিক উদ্যোগ, যা ক্রমবর্ধমান জলবায়ু বিপর্যয় এবং জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে স্বার্থ উদ্ধারকারী গোষ্ঠীগুলোর অব্যাহত বাধার মধ্যে বৈশ্বিক দক্ষিণের নেতৃত্বে জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে অন্য জ্বালানি ব্যবহার শুরু করার রোডম্যাপ তৈরি করতে আয়োজিত হয়েছে।
তিন দশক ধরে জাতিসংঘের ব্যর্থ জলবায়ু আলোচনা ও অব্যাহত জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহার বাড়ানোর পর, ২০২৬ সালের এপ্রিলে কলম্বিয়া সান্তা মার্তায় প্রথমবারের মতো একটি বহুপাক্ষিক সম্মেলন আয়োজন করে, যা জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিল। নেদারল্যান্ডসের সহ-আয়োজকতায় এবং ৫৭টি রাষ্ট্রের পাশাপাশি তৃণমূল সংগঠন, বিজ্ঞানী ও কর্মীদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনটি জলবায়ু কূটনীতিকে জীবাশ্ম জ্বালানির সমাপ্তি ঘটানো উচিত কিনা সেই বিতর্ক থেকে সরিয়ে কীভাবে একটি ন্যায়সঙ্গত, অর্থায়িত ও ন্যায্য রূপান্তর করা যায় তা নির্ধারণের দিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

তিন দশক ধরে আয়োজিত ৩০টি জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, যা COP নামে পরিচিত, জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে বন্ধের রোডম্যাপ তৈরি করতে ব্যর্থ হয়েছে। COP ২৮-এ এসে প্রথমবারের মতো জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে সরে আসার প্রয়োজনীয়তা চূড়ান্ত চুক্তিতে স্থান পায়, কিন্তু পরবর্তী দুটি COP-এ তেল উৎপাদনকারী রাষ্ট্রগুলোর চাপের মুখে সেই বিষয়টি বাদ দেওয়া হয়। এদিকে, জীবাশ্ম জ্বালানি-চালিত ক্রমবর্ধমান কার্বন নিঃসরণের ফলে বিশ্বব্যাপী তাপমাত্রা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে, যার ফলে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্লানেটারি টিপিং পয়েন্ট (পৃথিবীর এমন অবস্থা যেখানে আরেকটু দূষণ হলেই বিপর্যয় ঘটা অনিবার্য) ইতিমধ্যেই পার হয়ে গেছে অথবা অবিলম্বে পার হতে চলেছে।

গত ২৮-২৯ এপ্রিল কলম্বিয়া সান্তা মার্তায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে বিশ্বকে সরিয়ে আনার ওপর প্রাথমিক গুরুত্ব দিয়ে প্রথমবারের মতো এক বহুপাক্ষিক সম্মেলনের আয়োজন করে COP-এর ব্যর্থতা সংশোধনের প্রচেষ্টা চালায়। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে Progressive International গ্লোবাল সাউথের প্রতি COP-এর বিকল্প বহুপাক্ষিক ফোরাম প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে জলবায়ু কূটনীতিকে এগিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে। কলম্বিয়ার নেতৃত্বে ও নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতায় আয়োজিত সান্তা মার্তা সম্মেলন পঞ্চাশটিরও বেশি রাষ্ট্রের মিলিত আহ্বানে সাড়া দেয়। তারা COP-এর কাঠামোর মধ্যে অন্তর্নিহিত চিরস্থায়ী জলবায়ু প্রতিবন্ধকতার কাছে নতি স্বীকার না করে জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে ন্যায়সঙ্গত-ভাবে উত্তরণের সমাধানগুলো সম্মিলিতভাবে বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি-বদ্ধ হয়।

এমন এক সময় যখন আন্তর্জাতিক জলবায়ু কূটনীতি, বহুপাক্ষিকতা এবং বিশ্ব শান্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অভূতপূর্ব আক্রমণের মুখোমুখি—যা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী বিশ্বের বৃহত্তম জলবায়ু দূষণকারী দেশ, সান্তা মার্তা সম্মেলন জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানকে সংগঠিত করার পথ প্রদর্শন করে। ৫৭টি রাষ্ট্র, শত শত তৃণমূল সংগঠন, বিজ্ঞানী এবং কর্মীর সাথে মিলে জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার রূপরেখা প্রদানের জন্য এক সপ্তাহব্যাপী প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে।

সান্তা মার্তা সম্মেলন একটি বহুপাক্ষিক বিদ্রোহের সূচনা করে যা আশার সঞ্চার করে। কিন্তু একাধিক সূত্র অনুসারে, ইতিমধ্যেই ডাচ সরকার তাদের সহ-আয়োজকের মৌলবাদী মনোভাবকে নিয়ন্ত্রণ করেছে- এমন লক্ষণ দেখা যাচ্ছে। সম্মেলনের শিরোনামে "রূপান্তর" শব্দটির আগে থেকে "ন্যায়সঙ্গত" শব্দটি বাদ দেওয়া থেকে শুরু করে ইনভেস্টর-স্টেট ডিস্পিউট সেটলমেন্ট (ISDS)-এর মতো সাহসী আলোচ্যসূচির আইটেমগুলোকে অগ্রাধিকার না দেওয়া- এইসব বিষয় থেকে এই সুস্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। সম্মেলন-পূর্ব একাডেমিক পর্বে গ্লোবাল নর্থের শিক্ষাবিদদের আধিপত্য ছিল, যেমনটি সম্মেলনের ফলাফল হিসেবে ঘোষিত বিজ্ঞান প্যানেলেও দেখা গেছে। সান্তা মার্তা সম্মেলনের তিনটি স্তম্ভকে নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য দায়ী তিনটি চলমান কর্মধারা তিনটি উত্তর-ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে পরিচালিত হবে: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক ওয়ার্ল্ড রিসোর্সেস ইনস্টিটিউট (WRI), কানাডা-ভিত্তিক ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট (IISD), এবং ফ্রান্স-ভিত্তিক অর্গানাইজেশন ফর ইকোনমিক কো-অপারেশন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (OECD)। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ছিল না এবং এর উৎস খুঁজতে গেলে তিনটি কর্মধারা পরিচালনার প্রয়োজনীয় তহবিলের উৎসের দিকে নজর যায়। মনে হচ্ছে এই নির্বাচন মন্ত্রী পর্যায়ে হয়েছে, কারণ এই প্রতিষ্ঠানগুলো নীতিনির্ধারকদের সাথে সরাসরি যুক্ত।

জলবায়ু কূটনীতিতে কথাকে কাজে পরিণত করা

সাম্প্রতিক সময়ে COP সম্মেলনগুলোর সুনাম ক্রমশ কমে যাওয়ায় সান্তা মার্তা সম্মেলন জলবায়ু কূটনীতির প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের এক বিকল্প মডেল উপস্থাপন করেছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারি থেকে, কলম্বিয়া জীবাশ্ম জ্বালানি অনুসন্ধানের সকল নতুন চুক্তি বন্ধ করে দিয়েছে। এক্ষেত্রে সাম্প্রতিক COP আয়োজক দেশগুলোতে, যেমন সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং আজারবাইজানে তীব্র বৈপরীত্য দেখা গেছে, যেখানে চলমান COP আলোচনার সময় COP ২৯-এর প্রধান নির্বাহীকে জীবাশ্ম জ্বালানি চুক্তির প্রচার করা অবস্থায় গোপনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছিল। কলম্বিয়ার জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি গুস্তাভো পেত্রোর নেতৃত্বে কলম্বিয়ার জ্বালানি উৎসে সৌর ও বায়ু বিদ্যুতের অংশ ২০২২ সালের ২ শতাংশ থেকে বেড়ে ২০২৬ সালের এপ্রিলে ১৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এই সম্মেলনের অংশ হিসেবে, কলম্বিয়া স্বেচ্ছায় জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে ন্যায়সঙ্গত উত্তরণ সম্পর্কিত তাদের ২০৫০ সালের জাতীয় রোডম্যাপ জমা দিয়েছে, যা তাদের সহ-আয়োজক নেদারল্যান্ডস আজো জমা দেয়নি।

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে, COP সম্মেলনে রেকর্ড সংখ্যক জীবাশ্ম জ্বালানি লবিস্টদের উপস্থিতি প্রধান দেশগুলোর প্রতিনিধিদলকেও ছাড়িয়ে গেছে এবং COP ফোরামের ভেতরে ও বাইরে মতবিরোধের সুযোগ সীমিত করা হয়েছে। এর পরিবর্তে, সান্তা মার্তা সম্মেলন সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় ছয় ধরণের দল বা নির্বাচনক্ষেত্রকে অন্তর্ভুক্ত করেছে: আফ্রো-বংশোদ্ভূত জনগণ, কৃষক ও জেলে, এনজিও ও বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক, সামাজিক আন্দোলন, নারী ও বৈচিত্র্য, এবং যুব সম্প্রদায়।

কলম্বিয়ার পরিবেশ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন মন্ত্রী আইরিন ভেলেজ-তোরেস উদ্বোধনী সংবাদ সম্মেলনে বলেন: "আমরানিজেদেরতেলশিল্পেরলবিংথেকেমুক্তজাতিসংঘপ্রক্রিয়ারপরিপূরকহিসেবেদেখি*,* যাতেএইআলোচ্যসূচিগুলোতেতারকোনওপ্রভাবনাথাকে।আমরাতাইপ্রাণপণচেষ্টাচালাচ্ছি " ২০২৬ সালের গোল্ডম্যান পুরস্কার (তৃণমূল পরিবেশকর্মীদের দেওয়া একটি বার্ষিক সবুজ নোবেল) বিজয়ী এবং 'আলিয়ানজা কলম্বিয়া লিব্রে দে ফ্র্যাকিং'-এর নেত্রী কলম্বিয়ার জলবায়ু কর্মী ইউভেলিস নাটালিয়া মোরালেস ব্লাঙ্কো বলেন: "আমরাইসেইপ্রজন্মযারা, যেকোনওউপায়ে*,* জীবাশ্মজ্বালানিরনির্ভরতাথেকেমুক্তহতেসক্ষমহব।"

সান্তা মার্তা সম্মেলনের অভিপ্রেত ফলাফল

অপ্রত্যাশিতভাবে, সান্তা মার্তা সম্মেলনের প্রত্যাশিত ফলাফল কোনও তাৎক্ষণিক, আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে বিলোপকারী চুক্তি নয়। বরং, এর প্রথম কাজ হল বৈশ্বিক জলবায়ু কূটনীতির কাঠামোকে 'জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধ করা আবশ্যক কি না' এই বিতর্ক থেকে সরিয়ে একটি সুনির্দিষ্ট, অর্থায়িত ও ন্যায্যতাকেন্দ্রিক আলোচনায় রূপান্তর করা— যেখানে আলোচিত হবে যে জীবাশ্ম জ্বালানি 'কীভাবে' বন্ধ করা হবে।

সান্তা মার্তায় সবচেয়ে উচ্চাভিলাষী সুনির্দিষ্ট ফলাফল হিসেবে জোর দেওয়া হয়েছিল জীবাশ্ম জ্বালানি চুক্তি নিয়ে আলোচনার প্রয়োজনীয়তার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির ওপর। এর মধ্যে ছিল ফসিল ফুয়েল নন-প্রলিফারেশন ট্রিটির মতো কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সমর্থন দেওয়া, যার পক্ষে ইতোমধ্যেই ১৮টি দেশ ও ২০০টি শহর সমর্থন জানিয়েছে। 

জীবাশ্ম জ্বালানি চুক্তি উদ্যোগের তিনটি দাবি সান্তা মার্তা সম্মেলনের ফলাফলের তিনটি স্তম্ভের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ: একটি ঋণ নিষ্পত্তি সুবিধা ও বৈশ্বিক ন্যায্য রূপান্তর তহবিল, যাতে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে ঋণ-জীবাশ্ম জ্বালানির ফাঁদ থেকে মুক্ত করা যায়; ধনী দেশগুলোর নেতৃত্বে নতুন জীবাশ্ম জ্বালানি প্রকল্প এবং সংশ্লিষ্ট ভর্তুকি সমন্বিতভাবে বন্ধ করা; এবং বিকেন্দ্রীভূত নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগের মাধ্যমে বৈশ্বিক সংঘাতের অর্থায়নে জীবাশ্ম জ্বালানির ভূমিকা নিয়ন্ত্রণ করা।

সম্মেলনের মন্ত্রণালয় পর্যায়ের আলোচনার আগে সপ্তাহান্তের বৈঠকগুলোতে জীবাশ্ম জ্বালানি চুক্তির পথে কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা সমাধানের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। এর মধ্যে প্রথমটি হল ইনভেস্টর-স্টেট ডিস্পিউট সেটলমেন্ট (ISDS) — এটি একটি অস্বচ্ছ আইনি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে জীবাশ্ম জ্বালানি কর্পোরেশনগুলো জলবায়ু নীতির কারণে মুনাফা ক্ষতিগ্রস্ত হলে গোপন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারে। সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এনভায়রনমেন্টাল ল (CIEL)-এর মতে, জীবাশ্ম জ্বালানি কোম্পানিগুলো এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অন্তত ১০০ বিলিয়ন ডলার আদায় করেছে। এছাড়া জীবাশ্ম জ্বালানি মামলাগুলোতে গড় ক্ষতিপূরণের পরিমাণ ৬০০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। বিশ্বব্যাপী ১০,০০০-এরও বেশি জীবাশ্ম জ্বালানি সম্পদ ISDS-এর সুরক্ষার অধীনে রয়েছে। কলম্বিয়া এক্ষেত্রে কথাকে কাজে পরিণত করছে। স্টিগলিৎজ, পিকেটি ও হা-জুন চ্যাং-সহ ২২০ জনেরও বেশি অর্থনীতিবিদ ২০২৬ সালের মার্চে পেত্রোর কাছে আইএসডিএস সিস্টেম থেকে বেরিয়ে আসতে জোট গড়ার অনুরোধ জানিয়ে চিঠি লেখার পর তিনি আইএসডিএস থেকে কলম্বিয়াকে বের করে আনার ঘোষণা দেন। সান্তা মার্তা সম্মেলন কোনও বড় আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলন হিসেবে প্রথমবারের মতো আইএসডিএসকে চ্যালেঞ্জ করার বিষয়কে আলোচ্যসূচিতে স্থান দিয়েছে। জলবায়ু আইন ও মামলা পরিচালনায় বিশেষজ্ঞ এবং সান্তা মার্তা সম্মেলনে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের প্রতিনিধিত্বকারী ব্যারিস্টার হার্জ নারুলা আইএসডিএস বিষয়ে এগোনো নিয়ে প্রস্তাব করেছেন - "আইএসডিএস থেকে এককভাবে বের হয়ে আসা অকার্যকর হতে পারে এবং আইনি চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে পারে। আইএসডিএস থেকে বেরিয়ে আসার উপায় হল সব দেশগুলো একত্রিত হয়ে সম্মত হওয়া যে তাদের উপরে নিজেদের মধ্যকার আইএসডিএস বিধানগুলো আর প্রযোজ্য হবে না।"

দ্বিতীয় বাধাটি হল জীবাশ্ম জ্বালানি ভর্তুকি বাতিলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ। জলবায়ু বিষয়ক অঙ্গীকার সত্ত্বেও বিশ্বজুড়ে সরকারগুলো এই সংকট সৃষ্টিকারী শিল্পের পেছনেই জনগণের অর্থ ঢালছে। সান্তা মার্তায় নাগরিক সমাজের সংগঠনগুলো সব খাতে এই ভর্তুকি বাতিলের জন্য বাধ্যতামূলক কাঠামো তৈরি এবং সেই অর্থ নবায়নযোগ্য জ্বালানি, ন্যায্য রূপান্তর কর্মসূচি ও ঋণ ত্রাণে ব্যবহার করার আহ্বান জানিয়েছে, যাতে বর্তমানে সমস্যাটিতে অর্থায়নকারী অর্থ দিয়েই সমাধানের অর্থায়ন শুরু করা যায়।

তৃতীয় বাধাটি হল অন্যায্য সরকারি অর্থায়ন, যেখানে গ্লোবাল সাউথের জন্য সুদের হার বেশি রাখা হয় এবং বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছে গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর ঋণ রয়েছে। ফসিল ফুয়েল নন-প্রলিফারেশন ট্রিটির জলবায়ু অর্থায়ন বিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা ও ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর সাবেক কেন্দ্রীয় ব্যাংক গভর্নর জোয়ালা রাম্বারান Progressive International-এর সাথে কথা বলার সময় বলেন, "আজকের জলবায়ু অর্থায়নের অনেকাংশ সেই ঋণ-ফাঁদগুলোই সৃষ্টি করছে যা এটি দূর করার দাবি করেছে। গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে উচ্চ-মূল্যের ঋণ, জটিল চুক্তি এবং অর্থায়ন কাঠামোর মাধ্যমে রূপান্তর করতে বলা হচ্ছে যা তাদের নীতিগত পরিসর বাড়ানোর পরিবর্তে নতুন ধরণের নির্ভরশীলতা সৃষ্টি করে। অন্যায্য অর্থায়নের ভিত্তিতে ন্যায্য রূপান্তর করা যায় না। বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অবশ্যই নিশ্চিতভাবে অনুদান, স্বল্প-সুদের সম্পদ, ঋণ ত্রাণ এবং বিশুদ্ধ জ্বালানি, অভিযোজন সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক বহুমুখীকরণের জন্য মূলধন ব্যয় কমানোর মতো আর্থিক চুক্তি করতে হবে। একইসাথে, গ্লোবাল সাউথকে বিকল্প, দক্ষিণী নেতৃত্বাধীন অর্থায়ন চ্যানেলগুলো শক্তিশালী করতে হবে - যার মধ্যে ফসিল ফুয়েল ট্রিটি ইনিশিয়েটিভের ঋণ সমাধান প্রক্রিয়ার মতো নতুন প্রতিষ্ঠান সৃষ্টিও অন্তর্ভুক্ত - যা ন্যায্যতা, সার্বভৌমত্ব ও উন্নয়ন ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তি করে রূপান্তরের পথকে সমর্থন করতে পারে।" অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল-এর পলিসি ও অ্যাডভোকেসি প্রধান মারিয়ানা পাওলি Progressive International-এর সাথে কথা বলে উল্লেখ করেন যে, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জলবায়ু ঋণকে একটি বিশেষ 'জাতিসংঘ ঋণ কনভেনশন'-এর আওতায় আনার জন্য চাপ দিতে হবে। 

এই পদক্ষেপ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার মাধ্যমে ঋণ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিতে সাহায্য করবে। তা আর প্রধান শেয়ারহোল্ডারদের স্বার্থে কাজ করা বহুপাক্ষিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে না, যার মধ্যে আছে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইইউ, অস্ট্রেলিয়া ও জাপান।

ন্যায্য রূপান্তরের জন্য জলবায়ু অর্থায়ন প্রদানের পরিবর্তে, উত্তর নেতৃত্বাধীন বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলো গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোকে দীর্ঘমেয়াদী জীবাশ্ম জ্বালানির ঋণফাঁদে আবদ্ধ করছে। Progressive International ইউরোপীয় সরকারি অর্থায়ন কীভাবে তাদের নিজস্ব স্বল্পমেয়াদী গ্যাসের চাহিদা মেটাতে আফ্রিকান দেশগুলোকে ক্ষতিকর জীবাশ্ম জ্বালানি অবকাঠামোতে আটকে ফেলছে সেই বিষয়টি কভার করেছিল। পাকিস্তানের সংসদ সদস্য নাফিসা শাহ সান্তা মার্তা সম্মেলনে Progressive International-এর সাথে কথা বলার সময় পাকিস্তানকে একই জীবাশ্ম জ্বালানি ঋণফাঁদের দিকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল মানেটারি ফান্ড(IMF) ও বিশ্বব্যাংকের ভূমিকা তুলে ধরেন - "অতীতের ভুলগুলো থেকে আমাদের শিক্ষা নিতে হবে যাতে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি না ঘটে। ১৯৯০-এর দশকের শুরুতে, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের নীতি পাকিস্তানকে রাষ্ট্র-চালিত অবকাঠামো থেকে সরে গিয়ে জ্বালানি খাতের বেসরকারিকরণের দিকে চাপ দেয়। এটি স্বাধীন বিদ্যুৎ উৎপাদক বৃদ্ধি করে এবং রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ করার পরিবর্তে আমদানিকৃত জ্বালানি, দীর্ঘমেয়াদী ঋণের চক্র এবং বেশি মূল্যের বিদ্যুৎ চুক্তি করার ওপর নির্ভরশীলতা তৈরি করে।"

এই ধারাবাহিকতার দ্বিতীয় সম্মেলন ইতিমধ্যেই নির্ধারিত হয়েছে, যা আয়োজন করবে টুভালু - একটি সম্মুখসারির ক্ষুদ্র দ্বীপ উন্নয়নশীল রাষ্ট্র যাদের জন্য জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা একটি অস্তিত্বের প্রশ্ন। দ্বিতীয় সম্মেলনের সহ-আয়োজক হিসেবে টুভালুর সাথে থাকছে আয়ারল্যান্ড, যা দক্ষিণ-উত্তরের অংশীদারিত্ব অব্যাহত রেখেছে। ফসিল ফুয়েল নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি ইনিশিয়েটিভের নীতি ও গবেষণা প্রধান ড. আমিয়েরা সাওয়াস উল্লেখ করেন, "বৈশ্বিক ন্যায্য রূপান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও প্রযুক্তি স্থানান্তরের প্রবাহ নিশ্চিত করতে গ্লোবাল নর্থের দেশগুলোর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও, গ্লোবাল সাউথের দেশগুলোর নিজেদের সম্মিলিত শক্তিকে কাজে লাগানোর একটি মুহূর্ত হিসেবে এটিকে দেখা উচিত। তাদের ছাড়া বিশ্ব পরিবর্তিত হতে পারে না। তারা বিশ্বের প্রায় ৯০ শতাংশ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করে এবং এটিকে সম্ভব করে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় ভূমি ও সম্পদের মালিকও তারাই। আমরা যখন টুভালু সম্মেলনের দিকে এগোচ্ছি, তখন দক্ষিণী দেশগুলোর কাছে জলবায়ু ন্যায়বিচার এবং জীবাশ্ম জ্বালানির বদলে একটি ন্যায্য, অর্থায়িত রূপান্তরের পথে যাত্রা করার সুযোগ আছে।"

কলম্বিয়ার সান্তা মার্তা সম্মেলন ও হেগ গ্রুপে নেতৃত্ব: গ্লোবাল সাউথের দৃঢ়তার ধারাবাহিকতা

সান্তা মার্তা সম্মেলন বামপন্থী প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর নেতৃত্বে বিশ্বমঞ্চে কলম্বিয়ার প্রদর্শিত নেতৃত্বকে আরও প্রসারিত করে। এই সম্মেলন হেগ গ্রুপ থেকে অনুপ্রাণিত – যা গাজার ওপর ইসরায়েলের গণহত্যামূলক আক্রমণের জন্য তাকে আইনগতভাবে জবাবদিহি করার লক্ষ্যে কলম্বিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার সহ-সভাপতিত্বে গঠিত গ্লোবাল সাউথ দেশগুলোর একটি জোট। সান্তা মার্তা সম্মেলন হেগ গ্রুপের মতোই গ্লোবাল সাউথ দেশগুলোর বিরুদ্ধে ইতঃপূর্বে ব্যবহৃত আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ব্যবহার করেই জলবায়ু দূষণকারীদের দায়ী করার চেষ্টা করছে। উভয় ক্ষেত্রেই, কলম্বিয়া বহুপাক্ষিক সংহতি গড়ে তুলতে এবং গ্লোবাল নর্থের যোগসাজশ ও প্রতিবন্ধকতা এড়াতে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের (ICJ) কার্যক্রম ও রায়কে কাজে লাগিয়েছে।

গত জুলাইয়ে, ভানুয়াতু ও অন্যান্য প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্রের উত্থাপিত একটি মামলায়, আইসিজে একটি যুগান্তকারী পরামর্শমূলক অভিমত জারি করে। সেখানে বলা হয় যে, জলবায়ুর ক্ষতি রোধ ও সহযোগিতার জন্য রাষ্ট্রগুলোর আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক দায়িত্ব রয়েছে। প্রায় একই সময়ে, কলম্বিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে সান্তা মার্তা সম্মেলন আয়োজনের প্রস্তাব দেয়। ফসিল ফুয়েল নন-প্রলিফারেশন ট্রিটি-র বিশেষ দূত ও কলম্বিয়ার সাবেক পরিবেশমন্ত্রী সুসানা মোহাম্মদ Progressive International-এর সঙ্গে আলাপকালে ইরানের বিরুদ্ধে চলমান যুদ্ধ ও গাজার গণহত্যার প্রেক্ষাপটে গ্লোবাল নর্থের যোগসাজশ ও প্রতিবন্ধকতাকে চ্যালেঞ্জ করার ক্ষেত্রে এই দুই ঘটনার মধ্যকার মিলের কথা উল্লেখ করেন - "হেগ গ্রুপ ও সান্তা মার্তা সম্মেলনের মধ্যে পরিকল্পিত সাদৃশ্য রয়েছে এবং এগুলো রাজনৈতিক সদিচ্ছা ও গ্লোবাল সাউথের কাঠামোগত প্রতিবন্ধকতা অতিক্রমের পথ প্রদর্শন করে। যে সম্পদ জলবায়ু সমাধান তৈরিতে কাজে লাগতে পারত, তা যুদ্ধ ও গণহত্যার অর্থায়নে ব্যয় হচ্ছে। অন্যদিকে মিলিটারি-ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স নিজেই বৃহৎ দেশসমূহের গোষ্ঠীর চেয়েও বেশি দূষণ ঘটাচ্ছে।"

আজারবাইজানের বাকুতে COP 29-এর আলোচনার পর সান্তা মার্তা সম্মেলনের ধারণার জন্ম হয়। কিন্তু সেটিও জীবাশ্ম জ্বালানি পর্যায়ক্রমে বন্ধ করার বিষয়ে কোনও চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। বেলেমে COP 30-এর চুড়ান্ত সিদ্ধান্তে 'জীবাশ্ম জ্বালানি' শব্দটি বা এগুলো থেকে সরে আসার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করা হয়নি, রূপান্তরের জন্য কোনও রোডম্যাপ তৈরির কথা তো দূরের কথা। এই ব্যর্থতার প্রেক্ষাপটে, কলম্বিয়া ও নেদারল্যান্ডসের সরকার, আরও ১৮টি রাষ্ট্রের সমর্থনে, COP 30 সমাপ্ত হওয়ার ঠিক আগের দিন সান্তা মার্তা সম্মেলন আয়োজনের অভিপ্রায় ঘোষণা করে।

বহুপাক্ষিক কূটনীতির অন্যান্য প্রমাণিত সাফল্যের আদলে সান্তা মার্তা সম্মেলনের মডেল তৈরি করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে অটোয়া প্রসেস যার ফলে ১৯৯৭ সালের মাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি হয়, অসলো প্রসেস যা ২০০৮ সালের ক্লাস্টার মিউনিশন কনভেনশনের জন্ম দেয়, এবং সর্বশেষ ২০১৭ সালের পারমাণবিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ চুক্তি। এই তিনটি ক্ষেত্রের প্রতিটিতেই কিছু রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করেছিল, প্রতিবন্ধক শক্তিগুলোকে এড়িয়ে বৃহত্তর জোট গঠন করেছিল এবং আন্তর্জাতিক আইন ও নিয়মাবলি পরিবর্তন করেছিল। কানাডা ও নরওয়ের মতো দেশগুলো ১৯৯৭ সালের মাইন নিষিদ্ধকরণ চুক্তি ও ২০০৮ সালের ক্লাস্টার মিউনিশন কনভেনশনের পেছনে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিলেও, আজ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পতাকা বহন করছে কলম্বিয়া ও ভানুয়াতুর মতো গ্লোবাল সাউথের রাষ্ট্রগুলো।

Closing

দ্য ইন্টারন্যাশনালিস্ট-এর ১০৮তম সংখ্যাটি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে বৈশ্বিক লড়াইকে আক্রান্ত করে- এমন একটি রোগ নির্ণয় করেছিল। সেই রোগটি হল জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে স্বার্থ উদ্ধারকারী গোষ্ঠী দ্বারা COPর কাঠামোগত দখল এবং গ্লোবাল নর্থের বাধাদান। এই রোগের ওষুধ হিসেবে এই পত্রিকার প্রস্তাব ছিল: গ্লোবাল সাউথের সংহতি, বিকল্প ফোরাম এবং আইনভিত্তিক আন্তর্জাতিক সমন্বয়। গত সপ্তাহে সান্তা মার্তায় সেই প্রেসক্রিপশন পূরণ করা হয়েছে।

আর এই প্রেসক্রিপশন প্রদানকারী ফার্মাসিস্ট হল গুস্তাভো পেত্রোর কলম্বিয়া। যে সরকার ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে, কয়লা রপ্তানি স্থগিত করেছে এবং হেগ গ্রুপের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক আইন প্রয়োগ করতে বোগোটায় ত্রিশটি দেশকে একত্রিত করেছে, সেই একই সরকার এখন জলবায়ুর জন্যও একই কাজ করছে। নিজস্ব জীবাশ্ম জ্বালানি চুক্তিগুলো স্থগিত করছে; অন্য যারা একই কাজ করতে ইচ্ছুক, তাদের একত্রিত করছে; বাধাদানকারীদের পাশ কাটিয়ে যাচ্ছে এবং জীবাশ্ম জ্বালানির প্রশ্নটিকে সঠিক জায়গায় উত্থাপন করছে: একটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক আন্তর্জাতিক চুক্তির পথে। নিজের সমাপনী বক্তৃতায় পেত্রো জীবাশ্ম জ্বালানি বহির্ভূত জ্বালানি ব্যবস্থার সাথে খাপ খাওয়ানোর ক্ষেত্রে পুঁজিবাদের সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন এবং এর মাধ্যমে পৃথিবীকে ধ্বংসের চলমান ব্যবস্থাকে স্থায়ী করার ক্ষেত্রে পুঁজিবাদের যোগসাজশকে চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি "সবুজ পুঁজিবাদ" থেকে উদ্ভূত ভুয়া সমাধানগুলোর বিরুদ্ধেও সতর্ক করেছেন।

এই সব কিছু ঘটছে কলম্বিয়ার ৩১ মে'র রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে। পেত্রোর ঐতিহাসিক চুক্তি জোটের সিনেটর ইভান সেপেদা বর্তমানে জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেনগ। এখন প্রশ্ন হল- এই বৈপ্লবিক কূটনৈতিক ধারা তার স্রষ্টার চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হবে কিনা—এই প্রশ্নটি আজ ক্যারিবীয় শহরের সামুদ্রিক হাওয়ায় ভেসে বেড়াচ্ছে।

ইন্দ্রনীল ধরওয়াড়কর একজন ফ্রিল্যান্স জলবায়ু সাংবাদিক, যিনি আন্তর্জাতিক জলবায়ু নীতি ও জলবায়ু প্রতিরোধ বিষয়ে প্রতিবেদন করেন। তিনি গ্লোবাল সাউথের জন্য জলবায়ু অভিযোজন অর্থায়নও আদায় করেন।

Available in
EnglishSpanishPortuguese (Brazil)GermanFrenchItalian (Standard)TurkishArabicBengali
Author
Indraneel Dharwadkar
Translators
Subrina Afrin and ProZ Pro Bono
Date
11.05.2026
Source
Progressive InternationalOriginal article
EcologyEnvironment
Progressive
International
Privacy PolicyManage CookiesContribution SettingsJobs
Site and identity: Common Knowledge & Robbie Blundell